1. info@asiabarta.news : এশিয়া বার্তা :
মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া ভারত সীমান্তে এক তরুণের জুলন্ত লাশ উদ্ধার পাহাড়া দিচ্ছে এক তরুণী। - এশিয়া বার্তা
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
জরুরী নিয়োগ চলছে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি,নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: বার্তা বিভাগ-০১৭১৬৫৫৯১৯০
প্রধান খবর:
দোহারে গাছ ফেলে সরকারি রাস্তা নির্মাণে বাধা, পুলিশকে হেনস্তার অভিযোগে আটক ১ নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা কমিটির পরিচালনায় বালু নদীতে নৌকা বাইচ নবাবগঞ্জে আইএফআইসি ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি সভাপতি রাশেদ, সম্পাদক হুমায়ূন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রাশিম মোল্লা দোহারে সেই পাঁচ কন্যার পাশে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধিদল দোহারে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ডা.জালাল গ্রেফতার আত্মহত্যার ঘটনায় সালিশে রফাদফা, ৫০ হাজার টাকা দাবির অভিযোগ নবাবগঞ্জে মিলে মিশে খাল দখল! দোহারে আ’লীগ নেতা আটকের পর আসামী নিয়ে পুলিশের নয়ছয় ঢাকা বিভাগে কৃষি ব্যাংকের সেরা ব্যবস্থাপক হলেন দোহারের মুক্তার হোসেন

মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া ভারত সীমান্তে এক তরুণের জুলন্ত লাশ উদ্ধার পাহাড়া দিচ্ছে এক তরুণী।

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৭৩ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার কর্মধা ইউনিয়নের ভারত সীমান্তবর্তী এওলাছড়া পানপুঞ্জির গহীন জঙ্গল থেকে শনিবার দুপুরে শিপন মালাকার (১৭) নামের এক তরুণের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত এ তরুণ স্থানীয় পৃথিমপাশা ইউনিয়নের গণকিয়া গ্রামের সিন্ধু মালাকারের ছেলে। এর আগে শিপনের সঙ্গে প্রেমের টানে বাড়ি থেকে বিকেলে বের হয় স্কুলছাত্রী এনি আক্তার (১৩)। শনিবার সকালে সীমান্তবর্তী নোম্যান্সল্যান্ডে পরনের গেঞ্জি দিয়ে গাছের ডালে ফাঁস লাগানো অবস্থায় পাওয়া যায় প্রেমিক শিপনের লাশ এবং সেই লাশের পাশে পাহারারত অবস্থায় প্রেমিকা এনিকে পাওয়া যায়। বিষয়টি নিয়ে সমগ্র কুলাউড়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সিন্ধু মালাকারের ছেলে সিএনজিচালক শিপন মালাকার ও একই ইউনিয়নের কানিকিয়ারি গ্রামের মাহমুদ আলীর মেয়ে, আলী আমজদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী এনি আক্তারের সঙ্গে দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি উভয় পরিবার মেনে না নেওয়াতে ২৫ ডিসেম্বর পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। বিকেলে শিপন এনিকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। সন্ধ্যার দিকে তারা দুজন ভারতে পলায়নের উদ্দেশ্যে সীমান্তবর্তী এওলাছড়া পুঞ্জির গহীনে চলে যায়। সেখানে তারা অনেক সময় অবস্থান করে। ধারণা করা হচ্ছে, রাতেই প্রেমঘটিত মনোমালিন্যের কারণে শিপন আত্মহত্যা করে।

ঘটনাস্থলে লাশ পাহারারত কিশোরী এনি আক্তার জানান, শুক্রবার বিকেলে শিপন আমাকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। এরপর রাতে এওলাছড়া পানপুঞ্জির গহীন জঙ্গলে আমরা অবস্থান করি। একপর্যায়ে রাত প্রায় ২টায় শিপনের কাছ থেকে পাহাড়ের নিচে আমি ছিটকে পড়ে যাই। তখন থেকে প্রায় তিন ঘণ্টা আমি অজ্ঞান ছিলাম। শিপনকে অনেক খোঁজাখুঁজি করি। সকালে উঠে দেখি তার পরনের গেঞ্জি দিয়ে গাছের ডালে ফাঁস লাগানো অবস্থায়। এ সময় ঘটনাস্থলে নিজে লাশ পাহারা দিই। আমাদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল দুই বছরের।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান পৃথিমপাশা ইউপি চেয়ারম্যান নবাব আলী বাকর খান, কর্মধা ইউপি চেয়ারম্যান এম এ রহমান আতিক, স্থানীয় ইউপি সদস্য সিলভেস্টার পাঠান, হাজি মাকসুদ আলী, আব্দুল মনাফ প্রমুখ।

পৃথিমপাশা ইউপি চেয়ারম্যান নবাব আলী বাকর খান ও কর্মধা ইউপি চেয়ারম্যান এম এ রহমান আতিক বলেন, প্রেমঘটিত মনোমালিন্যের কারণে প্রেমিক শিপন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আমরা ছুটে যাই এবং পুলিশকে খবর দিই।

কুলাউড়া থানার এসআই মহসীন তালুকদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে গাছের ডালের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তরুণের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় লাশের পাশে পাহারারত অবস্থায় এনি আক্তার নামের এক কিশোরীকে পাওয়া যায়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) সাদেক কাওসার দস্তগীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের মৃত্যুর সঠিক কারণ তদন্ত ছাড়া বলা যাচ্ছে না। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে এবং লাশের সঙ্গে পাওয়া কিশোরীকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আর্কাইভ | পুরাতন সংবাদ পড়ুন

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: MMCIT