1. info@asiabarta.news : এশিয়া বার্তা :
বাবা মেয়ের দেখা(১৭)বছর পর খুশিতে আত্মহারা পরিবার। - এশিয়া বার্তা
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন
ঘোষণা:
জরুরী নিয়োগ চলছে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি,নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: বার্তা বিভাগ-০১৭১৬৫৫৯১৯০
প্রধান খবর:
দোহারে গাছ ফেলে সরকারি রাস্তা নির্মাণে বাধা, পুলিশকে হেনস্তার অভিযোগে আটক ১ নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা কমিটির পরিচালনায় বালু নদীতে নৌকা বাইচ নবাবগঞ্জে আইএফআইসি ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি সভাপতি রাশেদ, সম্পাদক হুমায়ূন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রাশিম মোল্লা দোহারে সেই পাঁচ কন্যার পাশে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধিদল দোহারে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ডা.জালাল গ্রেফতার আত্মহত্যার ঘটনায় সালিশে রফাদফা, ৫০ হাজার টাকা দাবির অভিযোগ নবাবগঞ্জে মিলে মিশে খাল দখল! দোহারে আ’লীগ নেতা আটকের পর আসামী নিয়ে পুলিশের নয়ছয় ঢাকা বিভাগে কৃষি ব্যাংকের সেরা ব্যবস্থাপক হলেন দোহারের মুক্তার হোসেন

বাবা মেয়ের দেখা(১৭)বছর পর খুশিতে আত্মহারা পরিবার।

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৪৬০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক
মাত্র (৮) বছর বয়সী মেয়েকে ঢাকা শহর দেখাতে নিয়ে যান বাবা। কাজের ব্যস্ততা থাকায় তাকে আত্মীয়ের বাসায় রেখে চলে যান। কিন্তু ফিরে এসে মেয়েকে আর পাননি। খুঁজতে থাকেন বিভিন্ন জায়গায়। আদরের সন্তানও খুঁজে বেড়িয়েছেন বাবাকে। অবশেষে (১৭) বছর পর দেখা হলো বাবা-মেয়ের। মেয়েকে পেয়ে খুশিতে আত্মহারা পুরো পরিবার।
ফেসবুকের কল্যাণে গতকাল শনিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌর শহরের শান্তিনগর এলাকায় মেয়ে তানিয়া আক্তারের সন্ধান পান বাবা। তার বাড়ি গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায়। বাবার নাম মো. সুন্দর আলী।

বর্তমানে তানিয়ার স্বামী রয়েছেন। তার স্বামীর নাম মো. আনোয়ার হোসেন। স্বামীর সঙ্গেই আখাউড়া পৌর শহরের শান্তিনগর এলাকায় থাকেন তিনি। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

তানিয়ার বাবা সুন্দর আলী জানান, ঢাকায় একটি বাস কাউন্টারে চাকরি করতেন তিনি। (২০০৪) সালে মেয়েকে ঢাকা শহর দেখাতে নিয়ে যান। প্রথমে তাকে নিজ বোনের বাসায় রাজাবাজার নেন। এরপর ফুফুর বাসায় আগারগাঁও নেয়া হয়। কাজ থাকায় মেয়েকে রেখে বেরিয়ে যান তিনি।

কিছুক্ষণ পর ফুফুর মেয়ের সঙ্গে স্কুলে গেলে আর ফিরে আসেননি তানিয়া। সন্ধ্যা পর্যন্ত না ফেরায় বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোথাও পাওয়া যায়নি। মেয়ের সন্ধানে মাইকিং ও পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। পাশাপাশি থানায় জিডি করা হয়।

তানিয়া জানান, স্কুলের সিকিউরিটি তাকে ভেতরে ঢুকতে দেননি। পরে তিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকেন। রাস্তা-ঘাট না চেনায় একটি বাসে করে সংসদ ভবনের কাছে আসেন। সেখানে একটি দোকানে টেলিভিশন দেখতে দেখতে রাত হয়ে যায়। তখন বাসায় ফেরার জন্য অনেক কান্নাকাটি করেন। কিন্তু ঠিকানা বলতে না পারায় তাকে বাসায় নিয়ে যান একজন সনাতন ধর্মাবলম্বীর লোক। পরদিন তাকে বাবার কাছে পৌঁছে দিতে অনেক জায়গায় খোঁজ করেন।

তানিয়া বলেন, বাবাকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে কলাবাগান এলাকায় আরজুদা খাতুন মিলন ও তার ছেলে রিপনের সঙ্গে দেখা হয়। তারা আমাকে তাদের বাসায় নিয়ে যান। এরপর থেকে তারা আমাকে আদর-যত্নে বড় করে তোলেন। আমি রিপনকে বাবা বলে ডাকি। তারা আমাকে বিয়েও দেন। রিপনের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার রায়তলা গ্রামে।

তিনি আরো বলেন, স্বামী আনোয়ার হোসেনের ফেসবুক আইডিতে আমার মায়ের ছবিসহ একটি পোস্ট দেয়া হয়। সেই সূত্র ধরে আত্মীয়-স্বজনের সহায়তায় পরিবারকে খুঁজে পাই।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর মেয়েকে খুঁজে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তানিয়ার বাবা ও ছোট বোন। বাবা ও বোনকে দেখে চিনতে পারেন তানিয়া।

তানিয়ার স্বামী আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি সবকিছু জেনেই তানিয়াকে বিয়ে করি। বিয়ের পর তার পরিবারের সন্ধান পেতে অনেক চেষ্টা করা হয়। আল্লাহর অশেষ রহমত থাকায় সেই ইচ্ছে পূরণ হয়েছে। আমি খুবই খুশি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আর্কাইভ | পুরাতন সংবাদ পড়ুন

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: MMCIT