1. info@asiabarta.news : এশিয়া বার্তা :
নবাবগঞ্জে শিখা মৃত্যুর চার মাসেও খোলেনি রহস্য - এশিয়া বার্তা
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
ঘোষণা:
জরুরী নিয়োগ চলছে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি,নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: বার্তা বিভাগ-০১৭১৬৫৫৯১৯০
প্রধান খবর:
দোহারে গাছ ফেলে সরকারি রাস্তা নির্মাণে বাধা, পুলিশকে হেনস্তার অভিযোগে আটক ১ নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা কমিটির পরিচালনায় বালু নদীতে নৌকা বাইচ নবাবগঞ্জে আইএফআইসি ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি সভাপতি রাশেদ, সম্পাদক হুমায়ূন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রাশিম মোল্লা দোহারে সেই পাঁচ কন্যার পাশে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধিদল দোহারে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ডা.জালাল গ্রেফতার আত্মহত্যার ঘটনায় সালিশে রফাদফা, ৫০ হাজার টাকা দাবির অভিযোগ নবাবগঞ্জে মিলে মিশে খাল দখল! দোহারে আ’লীগ নেতা আটকের পর আসামী নিয়ে পুলিশের নয়ছয় ঢাকা বিভাগে কৃষি ব্যাংকের সেরা ব্যবস্থাপক হলেন দোহারের মুক্তার হোসেন

নবাবগঞ্জে শিখা মৃত্যুর চার মাসেও খোলেনি রহস্য

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২৮৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক.
ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের ছোট গোবিন্দপুর এলাকায় বসত ঘর থেকে সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী শিখা হালদারের লাশ উদ্ধারের দীর্ঘ চার মাসেও মৃত্যুর রহস্য খোলাসা হয়নি এখনও। বিষয়টি নিয়ে স্বজনদের ও এলাকাবাসীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম হতাশা। আসামী পক্ষ প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় সঠিক বিচার পাওয়া নিয়েও সংশয় ও হতাশা প্রকাশ করেছেন নিহত শিখার স্বজনরা।

নিহত শিখা হালদার ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের ছোট গোবিন্দপুর এলাকায় সৌদি আরব প্রবাসী রতন হালদারে স্ত্রী ছিলেন। লাশ উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলার পর থেকেই পুলিশের ভূমিকা রহস্যজনক বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা। নিহত ব্যক্তির ময়নাতদন্ত এবং ভিসেরা প্রতিবেদন দিতেও গড়িমসি করছেন বলেও অভিযোগ নিহতের স্বজনদের।

জানা যায়, চলতি বছরের ৯ জুন শিখার লাশ তার বসত ঘর থেকে উদ্ধার করেন স্থানীয় নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। পরে তা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

নিহতের মা সারথী রানী হালদার বলেন, লাশ উদ্ধারের ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। থানায় মামলা না নেওযায় বাধ্য হয়ে আমি মহামান্য আদালতে ৩০২, ১০৯ ও ৩৪ ধারা দন্ডবিধিতে মামলা দায়ের করি। পরে মামলা করার পর থেকেই বিবাদী পক্ষ আমার উপর বিভিন্ন হুমকি-ধুমকি দিয়ে আসছেন। আমরা গরীব মানুষ। আমার মেয়েকে তার শ^শুড় বাড়ীর লোকজন মেয়ে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রেখে আতœহত্যার কথা বলে চালিয়ে দিতে চাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আসামী দীলিপ হালদার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের ৭নং ওয়াডের মেম্বর। প্রভাবশালী ব্যক্তি তাই সঠিক বিচার পাওয়া নিয়ে আমরা সংশয়ে আছি। তিনি বলেন, পুলিশ আমাদের বলছেন ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন বা ভিসেরা প্রতিবেদন তাদের কাছে আছে কিন্তু আমাদের কোন তথ্য জানাচ্ছেন না।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরির্দশক ও মামলার আয়ু (এসআই) তানভীর শেখ বলেন, মামলার তদন্তকাজ শেষ। ময়নাতদন্ত বা ভিসেরা প্রতিবেদনও হাতে পেয়েছি। খুব শিঘ্রই তা আদালতে জমা দেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আর্কাইভ | পুরাতন সংবাদ পড়ুন

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: MMCIT