1. info@asiabarta.news : এশিয়া বার্তা :
মাদ্রাসায় নির্যাতনের শিকার সেই শিশু ফের অসুস্থ, হদিস নেই শিক্ষকের - এশিয়া বার্তা
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন
ঘোষণা:
জরুরী নিয়োগ চলছে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি,নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: বার্তা বিভাগ-০১৭১৬৫৫৯১৯০
প্রধান খবর:
দোহারে গাছ ফেলে সরকারি রাস্তা নির্মাণে বাধা, পুলিশকে হেনস্তার অভিযোগে আটক ১ নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা কমিটির পরিচালনায় বালু নদীতে নৌকা বাইচ নবাবগঞ্জে আইএফআইসি ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি সভাপতি রাশেদ, সম্পাদক হুমায়ূন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রাশিম মোল্লা দোহারে সেই পাঁচ কন্যার পাশে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধিদল দোহারে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ডা.জালাল গ্রেফতার আত্মহত্যার ঘটনায় সালিশে রফাদফা, ৫০ হাজার টাকা দাবির অভিযোগ নবাবগঞ্জে মিলে মিশে খাল দখল! দোহারে আ’লীগ নেতা আটকের পর আসামী নিয়ে পুলিশের নয়ছয় ঢাকা বিভাগে কৃষি ব্যাংকের সেরা ব্যবস্থাপক হলেন দোহারের মুক্তার হোসেন

মাদ্রাসায় নির্যাতনের শিকার সেই শিশু ফের অসুস্থ, হদিস নেই শিক্ষকের

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৫৫ বার পড়া হয়েছে

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি:
ঢাকার দোহারে মধ্যযুগীয় কায়দায় সাজিদ (১০) নামের এক শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে নাজমুল হোসেন নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের ইসলামাবাদ গ্রামের জামিয়া এমদাদিয়া ইসলামাবাদ মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুল হোসেন।
এদিকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়িতে নিয়ে আসার পর আবারও অসুস্থ হয়ে পরেছে সাজিদ এমনটা জানান তার মা সাথী আক্তার। তিনি বলেন,মাথায় বেশি আঘাত পাওয়ায় ঘটনার দিন থেকে বমি করে তার ছেলে সাজিদ। এছাড়া হাতে ও পায়ে ব্যাথা অনুভব করে। তিনদিন পার হলেও বমি না থামায় চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নিতে বলেছেন এমনটা জানান সাথী আক্তার। আগামীকাল শুক্রবার সাজিদকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেয়া হবে এবং শীঘ্রই মামলা রুজু করা হবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে ঘটনার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুল হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি ফোন কেটে দিয়ে মোবাইল বন্ধ করে রাখেন।
জামিয়া এমদাদিয়া ইসলামাবাদ মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি মাহাদী হাসান আল ফরিদী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কোন ব্যাক্তির অপরাধের দায় প্রতিষ্ঠান নিবে না। সঠিক তদন্ত করে যদি শিক্ষক দোষী হয় তাহলে তার শাস্তি হবে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালে সাজিদ পড়া দিতে না পারায় নাজেরা বিভাগের শিক্ষক নাজমুল হোসেন শিশু সাজিদকে প্রথমে চর থাপ্পড় দেয়। পরে রেহাল ছুড়ে মারে ও বেত দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এক পর্যায়ে শিশু সাজিদকে আছাড় মারলে সাজিদ অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে তার মাকে খবর দেয় মাদ্রাসায় শিক্ষক। তার মা গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আর্কাইভ | পুরাতন সংবাদ পড়ুন

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: MMCIT