1. info@asiabarta.news : এশিয়া বার্তা :
মানিকগঞ্জে লোকসানের মুখে ফুলকপি চাষিরা - এশিয়া বার্তা
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
জরুরী নিয়োগ চলছে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি,নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: বার্তা বিভাগ-০১৭১৬৫৫৯১৯০
প্রধান খবর:
দোহারে গাছ ফেলে সরকারি রাস্তা নির্মাণে বাধা, পুলিশকে হেনস্তার অভিযোগে আটক ১ নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা কমিটির পরিচালনায় বালু নদীতে নৌকা বাইচ নবাবগঞ্জে আইএফআইসি ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালি ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি সভাপতি রাশেদ, সম্পাদক হুমায়ূন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রাশিম মোল্লা দোহারে সেই পাঁচ কন্যার পাশে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধিদল দোহারে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ডা.জালাল গ্রেফতার আত্মহত্যার ঘটনায় সালিশে রফাদফা, ৫০ হাজার টাকা দাবির অভিযোগ নবাবগঞ্জে মিলে মিশে খাল দখল! দোহারে আ’লীগ নেতা আটকের পর আসামী নিয়ে পুলিশের নয়ছয় ঢাকা বিভাগে কৃষি ব্যাংকের সেরা ব্যবস্থাপক হলেন দোহারের মুক্তার হোসেন

মানিকগঞ্জে লোকসানের মুখে ফুলকপি চাষিরা

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৩৭৫ বার পড়া হয়েছে

দেওয়ান আবুল বাশার, মানিকগঞ্জ:

মানিকগঞ্জে ফুলকপি চাষ করে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। একদিকে কৃষি উপকরণের দাম বৃদ্ধি অন্যদিকে সবজির কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে লোকসানের মুখে তারা। ১০টাকার উপর প্রতি পিস কপিতে খরচ করে এখন তা বিক্রি করতে হচ্ছে ২থেকে তিনটাকা দরে। জানা গেছে, প্রতি বিঘা জমিতে ১২ হাজার টাকার চারা লাগে। হালহাষে ৩ হাজার, চারজন দিনমজুরের ১২শত, দুই বার কেল তুলতে ৩ হাজার, তিনবস্তা সার ৪হাজার ৫০০ টাকা। ভিটামিন ও কিটনাশকে ৫ হাজার টাকা, জৈব সার ও অন্যান্য খরচ ৫০০০ টাকা। এছাড়াও জমির মালিককে বছরে ২০হাজার টাকা দিতে হয়। এভাবে প্রতি বিঘা জমিতে ফুলকপি চাষে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার উপর খরচ পড়ে যায়। প্রতিপিস চারা ৩টাকা দিয়ে কিনে দুই মাসের উপর পরিচর্যা করে এখন সেই কপি বিক্রি করতে হচ্ছে ২ থেকে তিন টাকা দরে। সরেজমিন শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার মেঘশিমুল, উকিয়ারা, ঢাকুলি এলাকায় দেখা যায়, শত শত বিঘা জুড়ে ফুলকপি চাষ করেছেন কৃষকেরা। অনেকেই বাজারজাতকরণের জন্য পরিপক্ব কপির পাতা ছেটে দিচ্ছেন। আবার কেউ বিক্রির উদ্দেশ্য ভ্যান ও ট্রাকে করে খেত থেকে কপি নিয়ে যাচ্ছেন। অন্যের জমি লিজ নিয়ে, ধার দেনা করে ৫০ বিঘা জমিতে ফুলকপি চাষ করেছেন সদর উপজেলার ঢাকুলি গ্রামের রশীদ মিয়া। তিনি বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে ৩থেকে সারে তিন হাজার চারা লাগে। প্রতি পিস ফুলকপির চারা আড়াই থেকে তিন টাকা দরে কিনতে হয়েছে। জমিতে হালচাষ, কীটনাশক, সার, ভিটামিন ও দিনমজুর মিলিয়ে খরচ পরেছে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। এখন প্রতিপিস ফুলকপি বিক্রি করতে হচ্ছে ২ থেকে ৩টাকা। ফুল কপি চাষ করে এখন আমি সর্বস্বান্ত হয়ে গেলাম। কমপক্ষে আমার ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকার লোকসান হবে। মেঘশিমুল এলাকার নকুমদ্দিন বলেন, আমার দুই বিঘা জমির কপি বিক্রির উপযোগী হলেও সেগুলো খেতেই পরে আছে। এমনিতেই লস বাজারজাত করে লস আর বাড়াবো না। ঢাকুলি এলাকার মজনু মিয়া বলেন, চার বিঘা জমিতে কপি চাষ করেছিলাম। গতকাল আড়তে ১০০টাকা মন হিসেবে বিক্রি করেছি। অথচ চারা কিনেছিলাম ৩টাকা প্রতিপিস। সরাসরি চাষিদের কাছে থেকে ফুলকপি কিনে মানিকগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন আড়তে সরবরাহ করেন ইদ্রিস আলী। তিনি বলেন, কৃষকদের কাছ থেকে ৭৮ হাজার ২০০শতপিস ক্ষেতের কপি কিনেছি। কোন কৃষকের সবটাকা অগ্রীম দিয়েছি আবার কাউকে আংশিক দিয়েছি। ২০টাকা দরে কপি কিনে এখন সেগুলো বিক্রি করছি ২ থেকে ৩টাকা করে। সীমাহীন লসের সম্মুখীন আমি। সিংগাইর উপজেলার হাসু বেপারি বলেন, ফুলকপি চাষ করে একেবারে ধরা খেয়েছি। এতটাকা খরচ করে চাষ করেছি। এখন খেত থেকে কপি কাটতে ইচ্ছে করেনা। কামলা এবং গাড়িতে করে বাজারজাত খরচই উঠছে না আমাদের। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মানিকগঞ্জের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. রবিআহ নূর বলেন, চাহিদার চেয়ে জোগান বেশি হওয়ায় ফুলকপির দাম পাচ্ছেন না কৃষক। আমরা সব সময় তাদেরকে উপদেশ দিয়ে থাকি একই সাথে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের সবজি চাষের। কিন্তু প্রথমে দাম বেশি পাওয়ায় সবাই একসাথে ফুলকপি চাষ করেছে। আগাম, মধ্যম ও নামী জাতের ফুলকপি চাষ হলে এ সমস্যাটা হতো না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আর্কাইভ | পুরাতন সংবাদ পড়ুন

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: MMCIT