1. info@asiabarta.news : এশিয়া বার্তা :
মানিকগঞ্জে লোকসানের মুখে ফুলকপি চাষিরা - এশিয়া বার্তা
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
ঘোষণা:
জরুরী নিয়োগ চলছে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি,নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: বার্তা বিভাগ-০১৭১৬৫৫৯১৯০
প্রধান খবর:
সাব-রেজিস্ট্রার বদলি: আসিফ নজরুলের শতকোটি টাকা দুর্নীতির নেপথ্যে রমজান-মাইকেল দোহারে নামিদামি ব্রান্ডের মোড়কে নকল পণ্যের কারখানা দোহারে মেয়াদ উত্তীর্ণ শিশু খাদ্য বিক্রি, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা মানিকগঞ্জে আ’লীগ নেতার পাম্পের পেট্রোল চোরাপথে বিক্রি – ম্যানেজার ও ক্রেতা আটক দোহারে পর্নোগ্রাফি মামলায় জুয়েল গ্রেফতার আ’লীগের আমলের প্রভাব খাটানো ইউএনও আলমগীর এখন উপসচিব! অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানে এসএসসি ফরম – অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ মানিকগঞ্জে অবৈধ ব্যাটারি কারখানায় অভিযান ডাকাত গ্রেপ্তারের আগেই আইনজীবী প্রস্তুত — পুলিশ সুপার মুকসুদপুর ডাকবাংলো এলাকায় নামে বেনামে টাকা তোলেন কারা?

মানিকগঞ্জে লোকসানের মুখে ফুলকপি চাষিরা

  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

দেওয়ান আবুল বাশার, মানিকগঞ্জ:

মানিকগঞ্জে ফুলকপি চাষ করে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। একদিকে কৃষি উপকরণের দাম বৃদ্ধি অন্যদিকে সবজির কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে লোকসানের মুখে তারা। ১০টাকার উপর প্রতি পিস কপিতে খরচ করে এখন তা বিক্রি করতে হচ্ছে ২থেকে তিনটাকা দরে। জানা গেছে, প্রতি বিঘা জমিতে ১২ হাজার টাকার চারা লাগে। হালহাষে ৩ হাজার, চারজন দিনমজুরের ১২শত, দুই বার কেল তুলতে ৩ হাজার, তিনবস্তা সার ৪হাজার ৫০০ টাকা। ভিটামিন ও কিটনাশকে ৫ হাজার টাকা, জৈব সার ও অন্যান্য খরচ ৫০০০ টাকা। এছাড়াও জমির মালিককে বছরে ২০হাজার টাকা দিতে হয়। এভাবে প্রতি বিঘা জমিতে ফুলকপি চাষে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার উপর খরচ পড়ে যায়। প্রতিপিস চারা ৩টাকা দিয়ে কিনে দুই মাসের উপর পরিচর্যা করে এখন সেই কপি বিক্রি করতে হচ্ছে ২ থেকে তিন টাকা দরে। সরেজমিন শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার মেঘশিমুল, উকিয়ারা, ঢাকুলি এলাকায় দেখা যায়, শত শত বিঘা জুড়ে ফুলকপি চাষ করেছেন কৃষকেরা। অনেকেই বাজারজাতকরণের জন্য পরিপক্ব কপির পাতা ছেটে দিচ্ছেন। আবার কেউ বিক্রির উদ্দেশ্য ভ্যান ও ট্রাকে করে খেত থেকে কপি নিয়ে যাচ্ছেন। অন্যের জমি লিজ নিয়ে, ধার দেনা করে ৫০ বিঘা জমিতে ফুলকপি চাষ করেছেন সদর উপজেলার ঢাকুলি গ্রামের রশীদ মিয়া। তিনি বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে ৩থেকে সারে তিন হাজার চারা লাগে। প্রতি পিস ফুলকপির চারা আড়াই থেকে তিন টাকা দরে কিনতে হয়েছে। জমিতে হালচাষ, কীটনাশক, সার, ভিটামিন ও দিনমজুর মিলিয়ে খরচ পরেছে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। এখন প্রতিপিস ফুলকপি বিক্রি করতে হচ্ছে ২ থেকে ৩টাকা। ফুল কপি চাষ করে এখন আমি সর্বস্বান্ত হয়ে গেলাম। কমপক্ষে আমার ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকার লোকসান হবে। মেঘশিমুল এলাকার নকুমদ্দিন বলেন, আমার দুই বিঘা জমির কপি বিক্রির উপযোগী হলেও সেগুলো খেতেই পরে আছে। এমনিতেই লস বাজারজাত করে লস আর বাড়াবো না। ঢাকুলি এলাকার মজনু মিয়া বলেন, চার বিঘা জমিতে কপি চাষ করেছিলাম। গতকাল আড়তে ১০০টাকা মন হিসেবে বিক্রি করেছি। অথচ চারা কিনেছিলাম ৩টাকা প্রতিপিস। সরাসরি চাষিদের কাছে থেকে ফুলকপি কিনে মানিকগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন আড়তে সরবরাহ করেন ইদ্রিস আলী। তিনি বলেন, কৃষকদের কাছ থেকে ৭৮ হাজার ২০০শতপিস ক্ষেতের কপি কিনেছি। কোন কৃষকের সবটাকা অগ্রীম দিয়েছি আবার কাউকে আংশিক দিয়েছি। ২০টাকা দরে কপি কিনে এখন সেগুলো বিক্রি করছি ২ থেকে ৩টাকা করে। সীমাহীন লসের সম্মুখীন আমি। সিংগাইর উপজেলার হাসু বেপারি বলেন, ফুলকপি চাষ করে একেবারে ধরা খেয়েছি। এতটাকা খরচ করে চাষ করেছি। এখন খেত থেকে কপি কাটতে ইচ্ছে করেনা। কামলা এবং গাড়িতে করে বাজারজাত খরচই উঠছে না আমাদের। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মানিকগঞ্জের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. রবিআহ নূর বলেন, চাহিদার চেয়ে জোগান বেশি হওয়ায় ফুলকপির দাম পাচ্ছেন না কৃষক। আমরা সব সময় তাদেরকে উপদেশ দিয়ে থাকি একই সাথে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের সবজি চাষের। কিন্তু প্রথমে দাম বেশি পাওয়ায় সবাই একসাথে ফুলকপি চাষ করেছে। আগাম, মধ্যম ও নামী জাতের ফুলকপি চাষ হলে এ সমস্যাটা হতো না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আর্কাইভ | পুরাতন সংবাদ পড়ুন

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: MMCIT