1. info@asiabarta.news : এশিয়া বার্তা :
অবহেলা ও নীরবতায় চলে গেল মহাকবি কায়কোবাদের জন্মজয়ন্তী - এশিয়া বার্তা
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩২ অপরাহ্ন
ঘোষণা:
জরুরী নিয়োগ চলছে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি,নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: বার্তা বিভাগ-০১৭১৬৫৫৯১৯০
প্রধান খবর:
নারিশা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি ব্যাচ এর বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সাব-রেজিস্ট্রার বদলি: আসিফ নজরুলের শতকোটি টাকা দুর্নীতির নেপথ্যে রমজান-মাইকেল দোহারে নামিদামি ব্রান্ডের মোড়কে নকল পণ্যের কারখানা দোহারে মেয়াদ উত্তীর্ণ শিশু খাদ্য বিক্রি, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা মানিকগঞ্জে আ’লীগ নেতার পাম্পের পেট্রোল চোরাপথে বিক্রি – ম্যানেজার ও ক্রেতা আটক দোহারে পর্নোগ্রাফি মামলায় জুয়েল গ্রেফতার আ’লীগের আমলের প্রভাব খাটানো ইউএনও আলমগীর এখন উপসচিব! অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানে এসএসসি ফরম – অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ মানিকগঞ্জে অবৈধ ব্যাটারি কারখানায় অভিযান ডাকাত গ্রেপ্তারের আগেই আইনজীবী প্রস্তুত — পুলিশ সুপার

অবহেলা ও নীরবতায় চলে গেল মহাকবি কায়কোবাদের জন্মজয়ন্তী

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫০ বার পড়া হয়েছে

২৫ ফেব্রুয়ারি। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি কায়কোবাদ-এর ১৬৯তম জন্মজয়ন্তী। অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য, দিনটি জাতীয় পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য কোনো আয়োজন ছাড়াই নীরবে ও অবহেলায় পার হয়ে গেছে।
১৮৫৭ সালের এই দিনে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা পূর্বপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মহাকবি কায়কোবাদ। বাংলা সাহিত্যে মুসলমান বাঙালির আত্মপরিচয়, বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক চেতনাকে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন এক অগ্রপথিক। তাঁর অমর কবিতা ‘আযান’ আজও বাঙালির ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুভূতির প্রতীক।
১৯০৪ সালে প্রকাশিত ‘মহাশশ্মান’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে তিনি ‘মহাকবি’ উপাধিতে ভূষিত হন। দীর্ঘ প্রায় ৮২ বছর বাংলা সাহিত্যচর্চায় যুক্ত থেকে তিনি ১৩টি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন। তবুও তাঁর জন্মজয়ন্তী এভাবে অবহেলায় চলে যাওয়া সাহিত্যপ্রেমীদের হতাশ করেছে।
জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আজ সকালে ঢাকার আজিমপুর পুরনো কবরস্থানে কবির সমাধিতে কবর জিয়ারত ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। কয়েকটি সাহিত্য ও সামাজিক সংগঠন সীমিত পরিসরে কর্মসূচি পালন করলেও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যায়নি।
সাহিত্যবোদ্ধাদের মতে, যে জাতি তার গুণীজনদের সম্মান দিতে ব্যর্থ হয়, সে জাতির সাংস্কৃতিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে কবির বহু অমূল্য পাণ্ডুলিপি হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আজও গভীর বেদনার।
১৯৫১ সালের ২১ জুলাই বার্ধক্যজনিত কারণে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মহাকবি কায়কোবাদ ইন্তেকাল করেন। আজিমপুর পুরনো কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত এই কবি তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্য দিয়ে অমর হয়ে আছেন। তবে প্রশ্ন থেকেই যায়—আমরা কি তাঁকে যথাযথ মর্যাদা দিতে পেরেছি?
লেখক: মো সাদের হোসেন বুলু

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আর্কাইভ | পুরাতন সংবাদ পড়ুন

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: MMCIT