
দেওয়ান আবুল বাশার, মানিকগঞ্জ:
মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিদ্যালয়ের কোষাগার থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা।
অভিযোগপত্র ও সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাসেম ভূইয়ার বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে বিদ্যালয়ের কোষাগার থেকে প্রায় ৫ লাখ ৯ হাজার টাকা আত্মসাত করেন। এছাড়াও সভাপতির স্বাক্ষর ছাড়া চলতি বছরের প্রায় ৭ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা না করে আত্মসাতের অভিযোগও তোলা হয়েছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, পূর্বে বিদ্যালয়ে চারজন কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রায় ৪০ লাখ টাকার অনিয়মের ঘটনায় তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন।
বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. সোহরাব হোসেন বলেন, “তিনি দুর্নীতির দায়ে একাধিকবার বরখাস্ত হয়েছিলেন। কমিটির দ্বন্দ্বের কারণে নয়। তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলের কলিয়া ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ছিলেন তিনি। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এসব অনিয়ম করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগগুলো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসন ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির তদন্তে প্রমাণিত হয়েছিল বলে জানা যায়। এর প্রেক্ষিতে দুই বছর তাকে বরখাস্ত রাখা হয়। পরে তিনি পুনরায় দায়িত্বে ফেরেন। বর্তমানে তথ্য গোপন করে দ্বন্দ্বের অজুহাতে বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ করছেন বলে আমরা অভিযোগ করেছি।”
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাসেম ভূইয়া বলেন, “পূর্বের কমিটির রেজুলেশন অনুযায়ী আমার প্রাপ্য টাকা আমি নিয়েছি।”
সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, “এখনও অভিযোগের কপি হাতে পাইনি। হার্ডকপি পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply