
নিজস্ব প্রতিনিধি.
ঢাকার দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ডাকবাংলো এলাকায় সারাবছর পর্যটকদের উপস্থিতি যেন চোখে পরার মত। এই জায়গাটি ঘিরে গড়ে উঠেছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ছোট ছোট দোকানপাট।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেনারেটর ভাড়ার নামে অতিরিক্ত টাকা বাবদ স্থানীয় বাবু নামের এক ব্যক্তি প্রত্যেকটি দোকানের এক একটি লাইটের জেনারেটর সংযোগ প্রতি ৩০০ টাকা নেন। দোকানীরা বলছেন লাইট প্রতি এই টাকা বাবু নিজেই ধার্য্য করেছেন।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, এই বাবুর সাথে জরিত রয়েছে আরও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। তবে ভয়ে নাম প্রকাশ করতে অপারগতা প্রকাশ করেন ব্যবসায়ীরা।
এছাড়া, মোটরসাইকেল পার্কিং এর নামে গাড়ি প্রতি ১০০ টাকা নেয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত টাকা নেয়াকে চাঁদাবাজি বলে দাবি করেন দর্শনার্থীরা।
এদিকে সোমবার ডাকবাংলোতে অভিযান পরিচালনা করেন দোহার উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা মো. মাঈদুল ইসলাম, এসময় সরকারি দোকানপাট সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
এসময় সরকারি জমি দখল করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠে ঐ এলাকার হুমায়ন মোল্লা নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলেন হুমায়ন মোল্লা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে এই দোকান নির্মাণ করেছেন। এসময় নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। এবিষয়ে বাবু ও হুমায়ন মোল্লার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ইজারার মাধ্যমে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনার অনুমতি দেয়ার দাবি জানান ডাকবাংলোর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি সরকারি জয়গায় নির্মিত ব্যবসায়ীদের দোকান থেকে যারা নামে বেনামে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা তোলেন সরকারি আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান তারা।
Leave a Reply