1. info@asiabarta.news : এশিয়া বার্তা :
গাজার হাসপাতালগুলোর ‘দ্রুত অবনতির’ চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে - এশিয়া বার্তা
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
ঘোষণা:
জরুরী নিয়োগ চলছে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি,নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন: বার্তা বিভাগ-০১৭১৬৫৫৯১৯০
প্রধান খবর:
সাব-রেজিস্ট্রার বদলি: আসিফ নজরুলের শতকোটি টাকা দুর্নীতির নেপথ্যে রমজান-মাইকেল দোহারে নামিদামি ব্রান্ডের মোড়কে নকল পণ্যের কারখানা দোহারে মেয়াদ উত্তীর্ণ শিশু খাদ্য বিক্রি, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা মানিকগঞ্জে আ’লীগ নেতার পাম্পের পেট্রোল চোরাপথে বিক্রি – ম্যানেজার ও ক্রেতা আটক দোহারে পর্নোগ্রাফি মামলায় জুয়েল গ্রেফতার আ’লীগের আমলের প্রভাব খাটানো ইউএনও আলমগীর এখন উপসচিব! অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানে এসএসসি ফরম – অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ মানিকগঞ্জে অবৈধ ব্যাটারি কারখানায় অভিযান ডাকাত গ্রেপ্তারের আগেই আইনজীবী প্রস্তুত — পুলিশ সুপার মুকসুদপুর ডাকবাংলো এলাকায় নামে বেনামে টাকা তোলেন কারা?

গাজার হাসপাতালগুলোর ‘দ্রুত অবনতির’ চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৭০৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক কর্মকর্তা গতকাল বুধবার (১৮ জানুয়ারি) গাজা উপত্যকার অবশিষ্ট হাসপাতালের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন। এসব হাসপাতালে রোগীরা প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের চরম অভাবের কারণে মৃত্যুর অপেক্ষায় আছে। জরুরি চিকিৎসা দলের সমন্বয়কারী শন ক্যাসে বলেছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে তিনি প্রায় পাঁচ সপ্তাহ অবস্থান করেছেন। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রতিদিন গুরুতর পোড়া, ভেঙে যাওয়া উন্মুক্ত অঙ্গসহ রোগীদের কয়েক ঘণ্টা বা দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে দেখেছেন।

নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সাংবাদিক ক্যাসে বলেন, ‘তারা প্রায়ই আমার কাছে খাবার বা পানি চাইত। কী পরিমাণ হতাশার মধ্যে তারা ছিল, এতেই তা বোঝা যাচ্ছিল।’ তিনি বলেছেন, গাজার ১৬টি কার্যকর হাসপাতালের মধ্যে মাত্র ছয়টি তিনি পরিদর্শন করতে সক্ষম হয়েছেন। যুদ্ধ শুরুর আগে গাজায় ৩৬টি হাসপাতাল কার্যকর ছিল।

শন ক্যাসে বলেন, ‘স্বাস্থ্যব্যবস্থার অবনতির পাশাপাশি আমি ব্যক্তিগতভাবে যা দেখেছি, তা মানবিক সহায়তার ক্রমবর্ধমান চাহিদা, বিশেষ করে গাজা উপত্যকার উত্তরের অঞ্চলে মানবিক সহায়তার সুযোগ প্রায় সম্পূর্ণ হ্রাস করা হয়েছে।’
তিনি গাজার উত্তরের হাসপাতালে রোগীদের অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন, যারা মূলত এমন একটি হাসপাতালে মৃত্যুর অপেক্ষায় রয়েছেন। সেখানে জ্বালানি, বিদ্যুৎ, পানি কিছুই নেই। তিনি বলেন, ‘সাত দিনের পরিদর্শনকালে প্রতিদিন আমরা উত্তরে গাজা সিটিতে জ্বালানি এবং সরবরাহ পৌঁছানোর চেষ্টা করেছি।
এ কথা উল্লেখ করে ক্যাসে বলেন, ‘প্রতিদিনই আমাদের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ন্যূনতম কর্মীদের নিয়ে কাজ করার সময় হাসপাতালগুলো বিপুলসংখ্যক রোগী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। কর্মীদের মধ্যে অনেকেই গাজার জনসংখ্যার বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠের মতো বাস্তুচ্যুত। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ এবং স্থল হামলায় কমপক্ষে ২৪ হাজার ৪৪৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ নারী, ছোট শিশু এবং কিশোর-কিশোরী রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Shares

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আর্কাইভ | পুরাতন সংবাদ পড়ুন

Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: MMCIT